আন্দোলনে নতুন মোড় দিতে ‌‘লাশ ফেলার পরিকল্পনা’ বিএনপির

0
125
আন্দোলনে

ক্ষমতায় যেতে মরিয়া বিএনপি নেতারা প্রকাশ্যেই বলছেন, হাজার হাজার প্রাণের বিনিময়ে হলেও সরকারের পতন ঘটাবে। এবার জানা গেল দলটির ভয়াবহ গোপন পরিকল্পনার কথা। আন্দোলনকে বেগবান করতে দুই ধাপে এ পরিকল্পনা সাজিয়েছে দলটি।

দলটির বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, বিভাগীয় সমাবেশ শেষে বিএনপির টার্গেট রাজধানী দখল নেওয়া। সন্ত্রাসী বিএনপিতাই পুরনো পেট্রোল সন্ত্রাসের পথেই হাটতে চায় দলটি। কারণ, সভা সমাবেশ করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ব্যর্থ তারা। তাই নাশকতার পথই বেছে নিয়েছে মির্জা ফখরুলরা। আর সেই নাশকতার গ্রাউন্ড তৈরি করতে লাশ ফেলার পরিকল্পনা করেছে দলটি।

আরও পড়ুন:  ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রদল-ছাত্র শিবির প্রথম হল দখল এবং হলে হলে নির্যাতনের ভীতিকর ‘সংস্কৃতি’র জন্ম দেয়

জানা গেছে, নাশকতার গ্রাউন্ড তৈরি করতে লাশ ফেলার ফরমান এসেছে লন্ডন থেকে। খুলনা সমাবেশের পর এমন নির্দেশনা দিয়েছেন লন্ডনে পলাকত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এদিকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, ‘হাজার হাজার মানুষ জীবন দেয়ার জন্য প্রস্তুত আছে। আরও জড়ালো আন্দোলন করতে আমরা নতুন করে পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।’

ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আবার স্বাধীন করবে।

সব শক্তি দিয়ে ছাত্রদল, যুবদলকে আন্দোলনে অংশ নেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: ঘরে বসে আন্দোলনের নামে ‘বাঘের হুংকার’ দিলেও রাজপথে বিড়ালের ভূমিকায় বিএনপি

পরিকল্পনা রয়েছে, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বাধিয়ে পরবর্তী সমাবেশে মোটামুটি জনপ্রিয় তরুণ নেতাকে হত্যা করার। সেই দোষ পুলিশের ওপর চাপিয়ে সারাদেশে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের গ্রাউন্ড তৈরি করবে দলটি। তারপর তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী ২০১৫ সালে মতো আন্দোলনের নামে দেশব্যাপী পোট্রোল সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য কায়েম করবে। ক্ষমতার জন্য পুড়িয়ে মারবে শত শত মানুষ, ভয়ঙ্কর এই পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে
স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি।

 

[আন্দোলনে নতুন মোড় দিতে ‌‘লাশ ফেলার পরিকল্পনা’ বিএনপির]

আর রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন বর্জন করে ২০১৫’তে আন্দোলনের নামে দেশব্যাপী সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য চালিয়ে কিছুই পায়নি বিএনপি। স্বজনহারা হয়েছেন শত শত পরিবার। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সে রকম পরিস্থিতি তৈরি হোক, কেউ চায় না। তাদের মনে রাখতে হবে, বাইরের কেউ এসে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে না। জনগণের সমর্থন নিয়েই ক্ষমতায় যেতে হবে। আর জনসমর্থন পেতে হলে ভালো কাজ করতে হয়, মানুষের ভালো চাইতে হয়। মানুষ মেরে ক্ষমতায় যাওয়া যায় না।

 

আরও পড়ুন:  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here