আবারও ঈদের পর সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দিয়ে গর্তে ডুকে গেল বিএনপি

0
275
আন্দোলন

গত ১৮ মার্চ দেশের বিভিন্ন মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল বিএনপির শেষ রাজপথের কর্মসূচি। কারণ চলতি সপ্তাহেই রমজান মাস শুরু হবে। এ সময় ইফতার কর্মসূচি থাকলেও রাজপথের কোনো কর্মসূচি থাকবে না এটা মোটামুটি নিশ্চিত বলে জানা গেছে। তবে রমজানের পর পুনরায় সরকার বিরোধী কঠোর আন্দোলন শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরইমধ্যে তার এই বক্তব্য নিয়ে কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সবাই একে ‘সন্দেহ সত্যি হলো’ বলেই আখ্যা দিয়েছেন।

দলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মূলত এখন তাঁর কথাতেই চলছে দলের আন্দোলন ও পদযাত্রার মতো কর্মসূচিগুলো। তবে ফখরুলের নেতৃত্বে এখন পর্যন্ত কোনো আন্দোলনেই সফলতা আসেনি। এখন ঈদের পর নতুন আন্দোলন প্রশ্নে মুখ খুলছেন দলের কেন্দ্রীয় এবং তৃণমূলের একাংশের নেতাকর্মীরা।

[আবারও ঈদের পর সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দিয়ে গর্তে ডুকে গেল বিএনপি]

তারা বলছেন, রমজান মাসের আগ পর্যন্তই বিএনপির জন্য শেষ সুযোগ ছিল। কিন্তু এতোদিন ধরে আন্দোলন করেও দল এখন পর্যন্ত কিছুই অর্জন করতে পারেনি। চলতি সপ্তাহেই শুরু হবে পবিত্র রমজান এবং এরপর ঈদুল ফিতর এবং এরপর বর্ষা  মৌসুম শুরু হবে।ফখরুলের ভূমিকা রহস্যজনক আখ্যা দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে আন্দোলনকে পরিচালনা করেছেন, যা পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো, যেকারণে চলমান আন্দোলনের শেষ পরিণতি নিয়ে এক ধরনের সংশয় ছিল। আর এখন সেই সংশয়ই বাস্তব হল।

[আবারও ঈদের পর সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দিয়ে গর্তে ডুকে গেল বিএনপি]

একে সরকারের সাথে আঁতাতের ফল আখ্যা দিয়ে নেতাকর্মীরা আরও বলেন, অতীতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যতবার জেলে গিয়েছেন এবং মুক্তির পাওয়া পর তিনি অসুস্থ্য হয়ে প্রথমে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। বিদেশ থেকে ফিরে এসে তিনি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন এবং আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here